কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পারিবারিক বিরোধের জেরে তোফাজ্জেল কারাল নামে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে অটোরিকশা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের চশই দাড়িবন এমবি দাখিল মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত তোফাজ্জেল কারাল চশই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় তোফাজ্জেলের স্ত্রী স্বপ্না বেগম দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বপ্না বেগম। ঘটনার দিন সকালে তোফাজ্জেল অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলে চশই দাড়িবন এমবি দাখিল মাদ্রাসার সামনে তাঁর গাড়ির গতিরোধ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় তোফাজ্জেলকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তাঁর ডান পায়ের বিভিন্ন স্থানে কাটা জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে অভিযুক্তরা তাঁর অটোরিকশা, জমি বিক্রির ৫০ হাজার টাকা এবং একটি মুঠোফোন নিয়ে যান বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

আহত ব্যক্তির চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁকে ভবিষ্যতে হত্যাসহ ক্ষতিসাধনের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা আহত তোফাজ্জেলকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগকারী স্বপ্না বেগম জানিয়েছেন।